1. onemediabd@gmail.com : Kazi Manir : Kazi Manir
  2. info@www.tubatvonline.com : - :
মহাসড়কে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ১০ কিলোমিটার পরপর মিলবে অ্যাম্বুলেন্স সেবা - তুবা টিভি
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে বসে ঢাকায় মাদকের ল্যাব পরিচালনা, দেশে ফিরে গ্রেফতার সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত সরদার ফারুক আহমেদ আবেগঘন পরিবেশে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা নিয়ে যা জানালো বিআরটিএ আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে: তাহসিফের বাবা ডিভি লটারির জন্য বাংলাদেশিরা আবেদন করতে পারবেন কি না, জানা যাবে আজ ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদরদফতর পলাতক অবস্থায় মৃত্যু, সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন নিয়ে যা জানা গেল বায়তুল মোকাররমে মিছিলের প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১৯ আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মহাসড়কে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ১০ কিলোমিটার পরপর মিলবে অ্যাম্বুলেন্স সেবা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে

দেশের ৫০০ কিলোমিটার মহাসড়কে প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর থাকবে সুসজ্জিত অ্যাম্বুলেন্স। দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত মিলবে চিকিৎসা ও উদ্ধার সহায়তা। বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের আওতায় আগামী মাস থেকে মিলবে এমন সেবা।

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার বরাবরই উদ্বেগের কারণ। ২০২৩-২৪ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। আর এসব দুর্ঘটনার প্রায় ৩৮ শতাংশই ঘটে মহাসড়কে।

মহাসড়কে দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত এবং দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’ নামে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি পাইলট প্রকল্প নেয় তৎকালীন সরকার। ২ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের দুই-তৃতীয়াংশ অর্থ ঋণ হিসেবে দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

প্রকল্পের আওতায় দেশের ৫০০ কিলোমিটার মহাসড়কে প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর আধুনিক সরঞ্জামসহ একটি করে অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। জিপিএস সুবিধাসম্পন্ন এসব অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেবা দেবে।

সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহামদ সাব্বীর হাসান খান বলেন, জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে ময়মনসিংহ, এরপর জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে যমুনা ব্রিজ হয়ে রাজশাহী এবং হাতিকামরুল থেকে রংপুর এই তিনটি রুট মিলিয়ে মোট ৫০০ কিলোমিটার করিডোর। এই করিডোরে আমরা পোস্ট-ক্র্যাশ রেসপন্সের ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ মডেল চালু করতে যাচ্ছি। প্রতি ১০ কিলোমিটার অন্তর একটি করে অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। এতে একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও একজন প্রশিক্ষিত চালক থাকবেন। ফায়ার সার্ভিসের মতো এসব অ্যাম্বুলেন্স ২৪ ঘণ্টা সেবা দেবে।

এরই মধ্যে ৬০টি অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে চলছে এসব অ্যাম্বুলেন্স নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা। সার্বিক কার্যক্রমে কিছুটা দীর্ঘসূত্রতা স্বীকার করে প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, আগামী মাসের মধ্যেই এর সুফল পাওয়া যাবে।

মোহামদ সাব্বীর হাসান খান আরও বলেন, করিডোরসংলগ্ন দোকান ও ফার্মেসিগুলোর মধ্য থেকে কিছু স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। তাদের ‘স্ট্যান্ডার্ড কেয়ার’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। কারণ দুর্ঘটনা ঘটলে তারাই সবার আগে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের ফার্স্ট এইড বক্সও দেয়া হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে কীভাবে নিরাপদে ধরতে বা সরাতে হয়, সে বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। কারণ, না জেনে বা ভুলভাবে টানাটানি করলে আহত ব্যক্তির আরও ক্ষতি হতে পারে। আমাদের সার্ভিস প্রোভাইডার এ প্রশিক্ষণ দেবে। সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ ইনশাআল্লাহ আমরা এই সিস্টেমটি কার্যকর করতে পারব।

২০২৮ সালের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এসব অ্যাম্বুলেন্স স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: চ্যানেল24

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট