1. onemediabd@gmail.com : Kazi Manir : Kazi Manir
  2. info@www.tubatvonline.com : - :
পাবনায় শিশুকে হত্যার নেপথ্যে ভয়ংকর তথ্য ধর্ষণের ১৫ মিনিটের মধ্যেই হত্যা! - তুবা টিভি
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে বসে ঢাকায় মাদকের ল্যাব পরিচালনা, দেশে ফিরে গ্রেফতার সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত সরদার ফারুক আহমেদ আবেগঘন পরিবেশে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা নিয়ে যা জানালো বিআরটিএ আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে: তাহসিফের বাবা ডিভি লটারির জন্য বাংলাদেশিরা আবেদন করতে পারবেন কি না, জানা যাবে আজ ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদরদফতর পলাতক অবস্থায় মৃত্যু, সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন নিয়ে যা জানা গেল বায়তুল মোকাররমে মিছিলের প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১৯ আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

পাবনায় শিশুকে হত্যার নেপথ্যে ভয়ংকর তথ্য ধর্ষণের ১৫ মিনিটের মধ্যেই হত্যা!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামের ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোস্তফা প্রামাণিক রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাগরিবের নামাজের পর শিশুটিকে মুদিদোকানের পেছনের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এর প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যেই তাকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁজার নাটকেও অংশ নেন মোস্তফা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই বেনু রায় বলেন, ঘটনার পর রাত ১০টার দিকে মোস্তফা দোকান খোলেন এবং রক্তমাখা শরীর নিয়ে গোসল করেন বলে রিমান্ডে জানিয়েছেন। দুই জন মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা বলেছেন তিনি। তবে অন্য আসামি মোস্তফার ভাড়াটিয়া ইয়াসিন আলী ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, হত্যার পর মোস্তফা সহযোগিতা চাইলে তিনি শুধু মরদেহ গোপনে সহযোগিতা করেন।

গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর মেয়েটি নিখোঁজ হয়। সাত দিন পর ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মোস্তফা ও ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনার দিন সকালে মেয়েটি তার ভাইকে নিয়ে মোস্তফার দোকানে চিপস কিনতে যায়। এ সময় মোস্তফা শিশুটির কয়েকটি আপত্তিকর ছবি তোলেন বলে পুলিশ দাবি করেছে। তার মোবাইল ফোনে আরো কয়েকজন অল্পবয়সি মেয়ের এমন ছবি পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ঘটনার পরও মোস্তফা মেয়েটি পরিবারের সঙ্গে মিশে ছিলেন এবং নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে আয়োজিত বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে অংশ নেন। লাশ উদ্ধারের সময়ও তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মামলার তদন্ত প্রায় শেষ। ডিজিটাল ফরেনসিকসহ কয়েকটি প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আলামত রাজশাহী সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। ফরেনসিক প্রতিবেদনের পর ধর্ষণের ঘটনায় একজন, নাকি দুই জন জড়িত ছিলেন, তা আরো স্পষ্ট হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট