1. onemediabd@gmail.com : Kazi Manir : Kazi Manir
  2. info@www.tubatvonline.com : - :
পুরনো ২ টন সিম কার্ড ও ই-বর্জ্য থেকে ১৯১ গ্রাম স্বর্ণ বের করলেন এক চীনা ব্যক্তি, যার মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ টাকা! - তুবা টিভি
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে বসে ঢাকায় মাদকের ল্যাব পরিচালনা, দেশে ফিরে গ্রেফতার সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত সরদার ফারুক আহমেদ আবেগঘন পরিবেশে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা নিয়ে যা জানালো বিআরটিএ আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে: তাহসিফের বাবা ডিভি লটারির জন্য বাংলাদেশিরা আবেদন করতে পারবেন কি না, জানা যাবে আজ ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদরদফতর পলাতক অবস্থায় মৃত্যু, সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন নিয়ে যা জানা গেল বায়তুল মোকাররমে মিছিলের প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১৯ আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

পুরনো ২ টন সিম কার্ড ও ই-বর্জ্য থেকে ১৯১ গ্রাম স্বর্ণ বের করলেন এক চীনা ব্যক্তি, যার মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ টাকা!

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

চীনের গুয়াংডং প্রদেশের এক ব্যক্তি ইলেকট্রনিক বর্জ্য থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধারের দাবি করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছেন।

তার প্রদর্শনী দেখে অনেকেই মনে করেছিলেন, পুরনো সিম কার্ড ও ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক যন্ত্র থেকে ঘরে বসেই সহজে সোনা তৈরি করা সম্ভব। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবতা এত সহজ নয়। পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল, ব্যয়বহুল এবং বিপজ্জনক।

কিয়াও নামে পরিচিত ওই ব্যক্তি পেশাগতভাবে ধাতু রিসাইক্লিং শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তার তৈরি প্রায় ১৯১ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার দেখানো ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়। সোনাটির আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় ২৯ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা)।

পরে কিয়াও স্পষ্ট করেন, কেবল পুরনো সিম কার্ড থেকে ওই সোনা পাওয়া যায়নি। প্রায় দুই টন সিম কার্ড ও ইলেকট্রনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে তবেই তিনি সোনাটি সংগ্রহ করেছিলেন। এসব বর্জ্যের মধ্যে ছিল শিল্পকারখানা থেকে পাওয়া সোনার প্রলেপযুক্ত টেলিযোগাযোগ যন্ত্রাংশ।

এত অল্প সোনা তুলতেও প্রয়োজন হয়েছে বিপুল পরিমাণ বাতিল যন্ত্র, বিশেষ সরঞ্জাম এবং দীর্ঘ পরিশোধন প্রক্রিয়া।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক একটি সিম কার্ডে সাধারণত শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য এক গ্রামেরও কম সোনা থাকে। ফলে কিয়াওয়ের তৈরি সোনার বারের সমপরিমাণ সোনা পেতে কয়েক লাখ সিম কার্ড প্রয়োজন হতে পারে।

সোনা আলাদা করতে রাসায়নিক প্রক্রিয়া, ছাঁকন, পরিশোধন এবং অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় গলানোর মতো কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হয়। এ কাজে প্রায়ই অ্যাকুয়া রেজিয়া নামের শক্তিশালী অ্যাসিডের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়, যা সোনাও গলিয়ে ফেলতে সক্ষম।

ভুলভাবে এসব রাসায়নিক ব্যবহার করলে বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হতে পারে, গুরুতর দগ্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকে এবং ভয়ংকর রাসায়নিক বিক্রিয়াও ঘটতে পারে। কিয়াও নিজেও জানিয়েছেন, তিনি লাইসেন্সধারী পেশাজীবী এবং নিয়ন্ত্রিত শিল্প পরিবেশে কাজ করেন। ঘরে বসে এমন পরীক্ষা না করারও সতর্কতা দিয়েছেন তিনি।

অননুমোদিতভাবে ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করলে মাটি ও পানি বিষাক্ত পদার্থে দূষিত হতে পারে। আশপাশের মানুষও ক্ষতিকর ধোঁয়ার সংস্পর্শে পড়তে পারেন। এ কারণে পুরনো ফোন, সিম কার্ড, কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র অনুমোদিত রিসাইক্লিং সেন্টারে জমা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট