ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার উৎপত্তিস্থল ছিল নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে।
বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী, সোমবার (২২ জুন) রাত ৯টা ২৮ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প হয়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা রুবাইয়াৎ কবীর বলেন, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪।
এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১৬ কিলোমিটার। গভীরতা কম হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে ঝাঁকুনি বেশ স্পষ্টভাবেই বোঝা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা— ইউএসজিএস অবশ্য ভূমিকম্পের মাত্রা ৪ দশমিক ৪ দেখিয়েছে।
ফ্রান্সভিত্তিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ১৬ কিলোমিটার।
এর আগে গত ১১ জুন এবং ১৯ জুন দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রতিবারই প্রায় একই সময়ে কম্পণ অনুভূত হয়েছে। ১১ জুন রাত ৯টা ৪০ মিনিটে, ১৮ জুন রাত ৯টা ২৯ মিনিটে এবং আজ রাত ৯টা ২৯ মিনিটে ভূমিকম্প হলো।
তবে মাত্রা কম হওয়ায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ১১ জুনের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো রিখটার স্কেলে ৪.৫ এবং ১৮ জুন ছিলো ৪.৪।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, ১৮ জুন ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মণিপুর এলাকায়। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩৬১ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে। ফলে আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চলেও কম্পন অনুভূত হয়।
১১ জুনের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের শিলচর এলাকায়, যা সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
এছাড়া, গত ৭ জুন রাত ১১টা ৩৭ মিনিটের দিকে আরও একটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশ। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬। ওই ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভুটান। ওই সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘক্ষণ ধরে কম্পন অনুভূত হয়।
এর আগে গত বছর ২১ নভেম্বরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূকম্প হয়, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে; নরসিংদীর মাধবদীতে।
চেয়ারম্যান : মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন, সিইও : মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদ
ঠিকানা : ৭৩, উত্তর যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
মোবাইল : ০১৯ ১১২৫ ১৯১০
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত